ঢাকা (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর ডটকম): জিম্বাবুয়ের সাথে ৩য় ওয়ানডেতে মাত্র ৫ রানে হেরে গেছে সফরকারী বাংলাদেশ। হারারেতে ৩য় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের দেয়া ২৫১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রান করে টাইগাররা। মুশফিকের অনবদ্য ১০১, তামিমের ৪৪ আর শুবাগতের ৩২ রানেও শেষ রক্ষা হয়নি টাইগারদের। জয় থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থাকতেই শেষ হয়ে যায় টাইগারদের ইনিংস। বল হাতে জিম্বাবুয়ের উতসিয়া ৩ টি ও জারবিস ও এম্পুফু নেয় ২ টি করে উইকেট।
টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। তাইবোর ৮৩, মাসাকাদজার ৭৪ আর চিগুম্বুরার ৩১ রানের উপর ভর করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫০ রান করে জিম্বাবুয়ে। বল হাতে বাংলাদেশের সাকিব ও রুবেল ২ টি করে উইকেট নেন।
জিম্বাবুয়ে সফরের শুরুতেই তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ এবং পর পর দুটি ওয়াডেতে হেরে সাকিব বাহিনীর আত্মবিশ্বাস যখন শূণ্যের কোটায় তখন স্বাগতিকরা আছে দারুন ফুরফুরে মেজাজে। কারণ সেই ২০০৪ সালের পর আজই প্রথম এই ম্যাচটি জিতলে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে তাদের চীর প্রতিদ্বন্দি বাংলাদেশকে সিরিজ হারের কলঙ্ক তিলক পরাতে পারবে তারা।
টেস্টে ও ওয়ানডেতে পরপর দুই ম্যাচে হারের পেছনে সাকিব বাহিনীর ব্যাটিং ব্যর্থতাই মূলত দায়ী। উপরের সারির কোন ব্যাটসম্যানই রান পাচ্ছেন না। আর সিরিজ শুরুর আগে তামিম ইকবালের অর্ডিনারি খেতাব দেয়া প্রতিপক্ষের বোলার ভিটরি বারবার ভেঙ্গে দিচ্ছেন টাইগারদেও আত্মঅহঙ্কারের ভিত। গত ২০০৪ সালের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কোনো সিরিজই হারেনি বাংলাদেশ। তাই প্রায় সাত বছর পর জিম্বাবুয়েতে গিয়ে কেবল সিরিজ পরাজয়ই নয়, রীতিমতো হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় পড়েছে বাংলাদেশ।
তব্ েদেশের ক্রিকেটামোদিরা এখনো অবশ্য আশা ছাড়েননি। আজকের ম্যাচটিসহ বাংলাদেশের সামনে আরো তিনটি ম্যাচ বাকি আছে। দেশের সকল ক্রিকেট প্রেমিদের আশা থাকবে টাইগাররা আবারো ২০০৫ এর ন্যায় ঝলে উঠবে। সে সময় হাবিবুল বাশারের নেতৃতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম দুটি ওয়ানডেতে হেরে সাময়িক হতাশায় পড়লেও পরের তিনটি ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করে ছাড়ছিল টাইগাররা। তাই এখন দেখার বিষয় আজকের এই বাঁচা-মরার ম্যাচে কি করে টাইগার খ্যাত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
ঢাকা, ১৬ আগস্ট (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর ডটকম)//এসএম//






