বাংলাটাইমস রিপোর্ট: দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবার ঈদ আনন্দের হোক- সেই চেষ্টাই তার সরকার করে যাচ্ছে। আজ সোমবার সকালে গণভবনে সর্বস্তরের মানুষ ও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এইবার ঈদে আমি এতোটুকু দাবি করতে পারি যে, সকলে উৎসাহের সাথে ঈদ উদযাপন করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল ছিল। সকলে অনেক রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করেছে। আমরা জিনিসপত্রের দাম কমাতে সক্ষম হয়েছি। দাম বাড়েনি। সকল জিনিসপত্র সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে ছিল। আমরা জানতে পেরেছি, এবার প্রচুর ব্যবসা বাণিজ্য হয়েছে।
এবার রোজায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সমস্যা হয়নি; রাস্তাঘাটের পরিস্থিতিও ভাল ছিল দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, এগুলো যদি আমরা করতে না পারতাম, তাহলে তো কেউ ছেড়ে কথা বলত না।
অগাস্টকে শোকের মাস হিসাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ মাসে আমরা জাতির জনককে হারিয়েছি। জাতির পিতা না থাকলে দেশ স্বাধীন হতো কি না জানি না। ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। আইভী রহমানসহ অনেক নেতাকর্মীকে আমরা হারিয়েছি।
তিনি বলনে, আমি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চাই। জনগণ যে দায়িত্ব পালনের জন্য আমাদের ভোট দিয়েছিল, সেই দায়িত্ব যাতে ঠিকমতো পালন করে যেতে পারি, সেই চেষ্টাই করছি।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী প্রথমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দলের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা দলীয় সভানেত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন গণভবনে। তারপর গণভবনের ব্যাঙ্কোয়েট হলে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শেখ হাসিনা।
মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুল, ছোট বোন শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং নাতি-নাতনিরা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টায় গণভবনের ভেতরে কূটনীতিক, বিচারপতি ও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং তিন বাহিনীর প্রধানরাও এ সময় ছিলেন। ঈদ উপলক্ষে গণভবনে অতিথিদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছাড়াও শামিয়ানা টাঙিয়ে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।
//ঢাকা, ২০ আগস্ট (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর)// কে কে//







