মাদারীপুর প্রতিনিধি: শনিবাব সকাল থেকে মাওয়া-কাওরাকান্দি নৌরুট হয়ে দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের মহাস্রোত নেমেছে। সর্বত্র শিকড়ের টানে মানুষের স্রোত। মাওয়া ঘাটে নেমে যাত্রীরা লঞ্চ, স্পিডবোট, ট্রলারে অধিক বোঝাই হয়ে চরম ঝূকিপুর্নভাবে উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। ফলে যেকোন মুহুর্তে দুর্ঘটনার শংকা দেখা দিয়েছে। তবে পুলিশসহ প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে ঘাট এলাকাগুলোতে তেমন বিশৃঙ্খলা নেই। এদিকে নাব্যতা সংকট ও ডুবোচরের কারণে ফেরিগুলো ধারনক্ষমতার কম যানবাহন নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। ডুবোচরের কারনে নদীতে চ্যানেল ওয়ানওয়ে হয়ে যাওয়ায় ফেরিসহ নৌযান পারাপারেও দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে। ফলে ঘাট এলাকায় যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকছে হাজারো ঝূকি মাথায় নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিয়ে মাদারীপুরের কাওরাকান্দি ঘাটে এসে যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়ছে । এ ঘাটে যাত্রীরা যেন অসহায়। এই ঘাট থেকে বরিশাল, খুলনা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুরসহ সকল রুটে চলা বাস মাইক্রোবাসগুলো ইচ্ছামতো দ্বিগুন থেকে তিন ভাড়া আদায় করছে। লোকাল যানবাহনগুলো আরো বেপরোয়া । এগুলো নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে নিজের মতো চলছে। এ শ্রেনীর চাঁদাবাজ প্রতিটি যানবাহন থেকে অতিরিক্ত চাঁদা তোলায় ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়া সব যানবাহনগুলোই চরম ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলছে। ফলে যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। অস্বাভাবিক ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি মাদারীপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল হোসেনও স্বীকার করে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়ে বলেছেন আমরা নিবিড়ভাবে চেষ্টা করছি ভাড়াটা কমিয়ে আনতে।
// মাদারীপুর, ১৮ আগস্ট (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর) // টি এম //






