যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ টর্নেডোয় নিহত ৯১ - সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত - প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন - আশুলিয়ায় ফের শ্রমিক বিক্ষোভ
   
হোমপেজ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি খেলা বিশ্ব প্রযুক্তি শিক্ষা স্বাস্থ্য সাহিত্য ও বিনোদন আলোর পথে 
   

পর্দা নেমেছে লন্ডন অলিম্পিকের

বাংলাটাইমস ডেস্ক: বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রোববার পর্দা নেমেছে লন্ডন অলিম্পিকের। রিও ডি জেনিরো অলিম্পিকের জন্য অপেক্ষার প্রহর শুরু হল এর মধ্য দিয়ে। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আওসি) সভাপতি জ্যাক রগ অনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন, নেভানো হয় অলিম্পিক মশাল। এর আগে অলিম্পিক পতাকা তুলে দেয়া হয় পরবর্তী আসরের আয়োজক ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর মেয়র এডোয়ার্ডো পায়েডসের হাতে। ২০১৬ সালের ৫ অগাস্ট সেখানে পর্দা উঠবে ৩১তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের।
আর্টিস্টিক ডিরেক্টর কিম গ্যাভিনের নির্দেশনায় যুক্তরাজ্য তথা লন্ডনের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পর সময় আসে পরবর্তী আসরের আয়োজক ব্রাজিলের। ৮ মিনিটে অনুষ্ঠানে নিজেদের উপস্থাপন করে দক্ষিণ আমেরিকায় প্রথম অলিম্পিক আয়োজনের সুযোগ পাওয়া দেশটি। প্রকৃতি, মানবতা আর তারুণ্যের জয়গান গেয়ে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরে তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে।
বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ‘আ সিম্ফোনি অব ব্রিটিশ মিউজিক’, নামে আখ্যায়িত সমাপনী অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ শিল্প-সংস্কৃতি আর সঙ্গীতের জয়গান গেয়ে লন্ডন অলিম্পিক স্টেডিয়ামে শুরু হয় ৩০তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের সমাপনী অনুষ্ঠান।
সবার আগে মঞ্চে আসেন এমিলি সানডে। পরবর্তী আধঘন্টায় জুলিয়ান লয়েড, টিমোথি স্পেল, ম্যাডনেস, মাসেড ব্যান্ড, পেট শপ বয়েজ, ওয়ান ডিরেকশন ও রে ডেভিস পরিবেশন করেন তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলো। তাদের গানে উঠে আসে কসমোপলিটান লন্ডনের সংস্কৃতি।
গত অর্ধশতাব্দীতে পপ মিউজিকে ব্রিটেনের অর্জনকে তুলে ধরা হয়। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তরকে ছুয়ে গেছে যে সব গান সেগুলোকে নতুন করে তুলে ধরা হয় সমাপনী অনুষ্ঠানে।
এরপর মঞ্চে আসেন জর্জ মাইকেল। একে একে গেয়ে শোনান ‘ফ্রিডম ‘৯০’ ও হোয়াইট লাইট। শুধু গান নয়, সুপার মডেলদের নিয়ে ছিল চোখ ধাধানো ফ্যাশন শো। মঞ্চ মাতিয়েছেন স্পাইস গার্লস, কাইজার চিফ, ডেভিড বাউই, অ্যানি লেনক্স, ডিজে ফ্যাটবয় স্লিম, রাসেল ব্রান্ড, জেসি জে, টায়ো ক্রুজ, বিডি আই, এরিক লেডল, সুসান বুললক, হাকেনি কলিরি ব্যান্ড, রিডিং স্কটিশ পাইপ ব্যান্ড ও মরিস ম্যান।রাত আড়াইটায় শুরু হয় খেলোয়াড়দের মার্চ পাস্ট। এবার কেউ কোনো দেশের প্রতিনিধি নয়, সবাই আসেন এক সঙ্গে বৃহৎ এক জাতির অংশ হিসেবে। ১৯৫৬ সালের মেলবোর্ন অলিম্পিক থেকে এ রীতি চলে আসছে। কেট বুশের ‘রানি আপ দ্য হিল’ পরিবেশনের সময় উদযাপন করা হয় ষোলো দিনে খেলোয়াড়দের অর্জনকে। মাঠের প্রতিযোগিতা ভুলে খেলোয়াড়রাও নেচে গেয়ে অনুষ্ঠানের উৎসবমুখর পরিবেশকে এনে দেন ভিন্ন মাত্র। রীতি মেনেই পুরুষদের ম্যারাথন জয়ীদের পদক তুলে দেয়া হয় এ সময়।

পদক তালিকায় শ্রেষ্ঠ যুক্তরাষ্ট্র

লন্ডন অলিম্পিকে শেষ পর্যন্ত পদক তালিকায় শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলো যুক্তরাষ্ট্র। ৪৬টি সোনা, ২৯টি রুপা, ২৯টি ব্রোঞ্জসহ তাদের মোট পদক ১০৪টি। ৩৮টি সোনা, ২৭টি রুপা ও ২২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮৭টি পদক জিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীন। আর মোট ৬৫টি পদক জিতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রিটেন।

//ঢাকা, ১৩ আগস্ট (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর)// কে কে//


PrintFriendly

© 2013 Bangla News | Bangladeshi News Portal | Bengali newspaper of Bangladesh. All Rights Reserved.

Designed by PSD to XHTML Company | Powered by Wordpress

About Us | Contact Us
Copyright © 2010 by BanglaTimes24.com, All Rights Reserved.