সংলাপের আহ্বান জানালো বিএনপির - ব্যর্থদের উপদেশ সরকার কেন শুনবে: প্রধানমন্ত্রী - ২০১২ সালে বাংলাদেশে হত্যা ৩০, গুম ১০: অ্যামনেস্টি - বিজিএমইএ ভবন না ভাঙতে আপিল
   
হোমপেজ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি খেলা বিশ্ব প্রযুক্তি শিক্ষা স্বাস্থ্য সাহিত্য ও বিনোদন আলোর পথে 
   

বরিশালে সড়কে ব্যাপক চাঁদাবাজী

বরিশাল ব্যুরো: ঈদকে সমানে রেখে বরিশাল অঞ্চলের সড়ক-মহাসড়ক গুলোয় চরম নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করার পাশাপাশি বেপরোয়া চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। যাত্রীবাহী বাস-মিনিবাস থেকে শুরু করে কাভার্ডভ্যান, ট্রাক, লরি কোন কিছুই চাঁদাবাজদের কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সেই সাথে সক্রিয় হয়ে উঠেছে অজ্ঞান পার্টি। ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতারকদেরও আনাগোনা বেড়েছে। ফলে এ বছরও হয়রানির শিকার হতে যাচ্ছে লঞ্চ ও বাসের যাত্রীরা।
ঈদকে সামনে রেখেই শুরু হয়েছে বরিশাল অঞ্চলের সড়ক-মহাসড়ক গুলোয় চরম বেপরোয়া চাঁদাবাজি। ঢাকা থেকে বরিশাল নথুল¬াবাদ বাস টার্মিনালে আসা বাস চালক আব্দুর রহীম জানান, প্রতি বছর ঈদের মৌসুমে বিভিন্ন স্থানে বেড়ে যায় চাঁদাবাজী। এ বছরও এর বিপরীত কিছু নয়। যাত্রী নিয়ে মাওয়া ফেরিঘাটে আসলেই একদল চাঁদাবাজকে ৫শত থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে। ঈদের আগে ও পরে ২০ দিন ঘাটের দুই প্রান্তে দফায় দফায় চাঁদা দিতে হয় বিভিন্ন সংগঠন ও পুলিশকে। শুধু বাস নয় মিনিবাস থেকে শুরু করে কাভার্ডভ্যান, ট্রাক, লরি কোন কিছুই চাঁদাবাজদের কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না।  ট্রাক চালক আক্কাস মিয়া জানান, চাঁদা না দিলে ফেরিতে ট্রাক উঠানো যায় না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, শুধু ফেরি ঘাট এলাকাই নয় দক্ষিণাঞ্চলের যে জেলাতেই বাস কিংবা ট্রাক প্রবেশ করুক না কেন প্রবেশ পথেই চাঁদা দিতে হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, এ চাঁদার ভাগ নিচ্ছে পরিবহনের কিছু মালিক, শ্রমিকদের জেলা-উপজেলা থেকে কেন্দ্রীয় সংগঠন পর্যন্ত, পুলিশ, স্থানীয় মাস্তান, রাজনীতিক নেতা-কর্মী , ফেরিঘাট শ্রমিক ইউনিয়ন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, যানজট নিরসন ও শ্রমিকদের কল্যাণ কমিটির অসাধু ব্যক্তিরা। আইন-শৃংখলা রক্ষা ও সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও পুলিশের কিছু অসাধু কনেস্টবল কিংবা ট্রাফিক সার্জন জড়িয়ে পরছেন চাঁদাবাজীতে। তাই চাঁদাবাজদের তৎপরতা বেড়েই যাচ্ছে। আর এ চাঁদাবাজীর মাসুল দিতে হচ্ছে ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নিয়োজিতদের। চাঁদাবাজির ফলে স্বভাবতই পরিবহনের ব্যয় বেড়ে যায়। এর প্রভাব অবধারিতভাবে পড়ে পণ্যমূল্যের ওপর।
ঈদকে সামনে রেখে  অজ্ঞান পার্টি’র তৎপরতাও বেড়েছে। প্রতারকদের হাতে পড়ে সাধারণ লোকজন সর্বশান্ত হচ্ছে। অজ্ঞান পার্টির মূল টার্গেট হলো সহজ সরল মানুষজন। এরা ব্যস্ত স্থানগুলোতে ওৎ পেতে থেকে লোকদের অজ্ঞান করে সব কিছু নিয়ে নেয়। ঈদে ঘরমুখো মানুষকে টার্গেট করে এরা তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি ডাঃ আব্দুর রহিম জানান, ইতো মধ্যে বরিশাল বরিশালের বিভিন্ন বাস টার্মিলান ও লঞ্চ টামিনালে কোন প্রকার অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে বিপুল সংখ্যক আইন-শৃক্ষলা বাহিনী মোতায়ন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে পুলিশের কয়েকটি টিম সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। সাথে রয়েছে সাদা পোশাকধারী পুলিশ। লঞ্চ ও বাস মালিক সমিতি নিজেদের লোকজন দিয়ে কমিউনিট পুলিশ গঠনের সিদ্ধান্ত— নিয়েছে বলে জানাগেছে।

// বরিশাল, ৯ আগস্ট (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর) // টি এম //


PrintFriendly

© 2013 Bangla News | Bangladeshi News Portal | Bengali newspaper of Bangladesh. All Rights Reserved.

Designed by PSD to XHTML Company | Powered by Wordpress

About Us | Contact Us
Copyright © 2010 by BanglaTimes24.com, All Rights Reserved.