বাংলাটাইমস ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬ বছর পর টেস্টে সিরিজ জিতলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জ্যামাইকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ৫ উইকেটে জিতে কিউইদের বিপক্ষে দীর্ঘদিন টেস্ট জিততে না পারার বন্ধ্যাত্ব ঘোচালো ক্যারিবীয়রা। সেই সাথে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নিলো ড্যারেন সামির দল।
শুধু টেস্টে সিরিজ নয়, গত কয়েক বছর যাবত আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে যাচ্ছেতাই পারফরমেন্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দলের খেলোয়াড়দের পারফরমেন্সের কারণে একরকম নীচু সারির দলে পরিণত হয় ক্যরাবীয়রা। অবশেষে বড় সাফল্যের দেখা পেল তারা। অবশ্য বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্কটা ভাল না থাকাটাও পারফরমেন্স খারাপের একটি কারণ।
জমে যাওয়া পুরনো ইতিহাসকে মুছে ফেলে, নতুনত্ব দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিউজিল্যান্ডকে ১৬ বছর পর টেস্ট সিরিজে হারালো ক্যারিবীয়রা। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে দুই ম্যাচের সিরিজে কিউইদের ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা। এরপর দু’দলের মধ্যে হয়ে যাওয়া চারটি সিরিজে তিনটিতেই জয় পায় নিউজিল্যান্ড। আর একটি সিরিজ হয় ড্র।
তৃতীয় দিন শেষে জ্যামাইকা টেস্ট জয়ের জন্য ৭১ রান প্রয়োজন ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। হাতে ছিল ৬ উইকেট। চতুর্থ দিনে সেই লক্ষ্যে বেশ সহজেই পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। এজন্য তাদের হারাতে হয় মাত্র এক উইকেট। আগের দিন ১০ রানে অপরাজিত থাকা নাইটওয়াচম্যান কেমার রোচ, ফিরেন ৪১ রান করে। তার বিদায়ের পর নার্সিং ডিওনারিনকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন অভিজ্ঞ শিবনারায়ন চন্দরপল। ফলে লাঞ্চের আগেই শেষ হয়ে ম্যাচটি। চন্দরপল ৪৩ ও ডিওনারিন ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন। প্রথম ইনিংসে ১২৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫২ রান করার সুবাদে ম্যাচের সেরা হয়েছেন মারলন স্যামুয়েলস। সিরিজ সেরার পুরস্কার পান পেসার কেমার রোচ।
টেস্ট সিরিজ ছাড়াও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই সফরে দুই ম্যাচের টোয়েন্টি টোয়েন্টি সিরিজ ২-০ এবং পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড ২৬০ ও ১৫৪ (গাপটিল ৪২, ব্রাউনলি ৩৫, ডিওনারিন ৪/৩৭)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০৯ ও ২০৬/৫ (স্যামুয়েলস ৫২, চন্দরপল ৪৩, উইলিয়ামসন ১/১৮)।
ফল : ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ : দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : মারলন স্যামুয়েলস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : কেমার রোচ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
// ঢাকা, ০৬ আগস্ট (বাংলাটাইমস ডেস্ক)// এসিব//







