বাংলাটাইমস রিপোর্ট: দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করবার জন্য বেগম খালেদা জিয়া নতুন করে ষড়যন্ত্র করছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
তিনি বলেন, ‘তার (খালেদা জিয়ার) বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বোঝা যায় নিশ্চয়ই আর একটি চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র আছে। যে ভাবে ইয়াজউদ্দিনকে দিয়ে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বিকিৃত করেছিলেন ঠিক একইভাবে তিনি (খালেদা জিয়া) গণতান্ত্রিক ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করার চক্রান্ত করছেন।’
সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত শুক্রবার দুপুরে সেগুনবাগিচাস্থ বীর উত্তম খাজা নিজামউদ্দিন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ঢাকা মহানগর শাখা ‘বিদেশে পলাতক বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে পারলেই জাতি কলঙ্কমুক্ত হবে’- শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সংগঠনের যুগ্ম-আহবায়ক ফাতেমাতুজ্জামান সাথীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা, সাংস্কৃতিক জোট নেতা অরুন সরকার রানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সুরঞ্জি সেন গুপ্ত বলেন, আগামী নির্বাচন সকল গণতান্ত্রিক দল অংশগ্রহণ করবে আর সে নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করবে। অন্তর্বতী সরকার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা সংবিধান সম্মত। অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি সুযোগ হাতছাড়া করছে। আর এর মধ্য দিয়েই প্রমাণ হলো গণতন্ত্র নস্যাতের জন্য বিএনপি নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই উল্লেখ করে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী বলেন, আসলে যাদের জন্ম অসাংবিধানিকভাবে, অগণতান্ত্রিকভাবে, তাদের কাছ থেকে গণতান্ত্রিক কোনো কিছু আশা করা যায় না। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাব নাকচ করে বিরোধী দল আবারো প্রমাণ করেছে যে, তারা গণতন্ত্র চায় না। তারা দেশের মঙ্গল চায় না।
মহিউদ্দিন খান আলমগীর ড. ইউনূসের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কারো ব্যক্তি মালিকানার স্বার্থে জনগণের স্বার্থ থেকে বিচ্যুত করবার কোনো অবকাশ নেই। একটা কথা মনে রাখা দরকার শেখ হাসিনা যদি সাহায্য না করতেন আর বঙ্গবন্ধুর ফর্মূলা যদি প্রয়োগ না করা হতো তাহলে ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে এত দূর এগোতে পারতেন না।
বিএনরি আন্দোলনের হুমকির জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। যে কোনো মূল্যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা হবে। যারা প্রধানমন্ত্রী আহবানে সাড়া না দিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে, তারা দেশে গণতন্ত্র চায় না।
// ঢাকা, ০৩ আগস্ট (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর ডটকম)// এসবি//







