বাংলাটাইমস রিপোর্ট: আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছে তদন্ত সংস্থা। রোববার ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদনটি জমা দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত করে ৫৯ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদনের পাশাপাশি তথ্য-উপাত্তসহ ৩৮৪ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এ প্রতিবেদনে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা লুটপাটসহ নানা মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ রয়েছে। এর আগে গত ২৬ জুলাই বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ইসলামী ছাত্র সংঘের অন্যতম নেতা বাচ্চু রাজাকার ১৯৭১ সালে যুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী নানা অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষকে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট আর অগ্নিসংযোগসহ নানা অপরাধ তারই নির্দেশে সংগঠিত হয়েছে। সে সময় তিনি অনেককে শক্তিপ্রয়োগ করে ধর্মান্তর আর দেশান্তরও করেছেন বলে জানা গেছে এ প্রতিবেদনে।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার আগে থেকেই আত্নগোপন করেন তিনি। এদিকে, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছেন সাংবাদিক আবু তালেবের ছেলে খন্দকার আবুল আহসান। ট্রাইব্যুনালে তিনি জানান, ৭১’এর ২৯ মার্চ কাদের মোল্লার নেতৃত্বে আবু তালেবকে দৈনিক ইত্তেফাকের অফিস থেকে ধরে নিয়ে হত্যা করা হয়।
// ঢাকা, ২৯ জুলাই (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর ডটকম)// এসবি//







